মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে সমুদ্র বিজয়

যে কোন বিজয়-ই আনন্দের। বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন বিজয়ের আনন্দ অনেকবার-ই এসেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিচক্ষণ, দূরদর্শী ও প্রাজ্ঞতায় বাংলাদেশ পেয়েছে আরও একটি ব্যতিক্রমধর্মী বিজয় তথা সমুদ্র বিজয়। 
১৯৭৪ সাল থেকে সমুদ্রের সীমানা নির্ধারণ নিয়ে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত ও মায়ানমারের সাথে বিরোধ চলছিল। যার একটি সফল পরিসমাপ্তি ঘটেছে বাংলাদেশের কাঙ্খিত এ বিজয় অর্জনের মাধ্যমে। ভারত ও মায়ানমারের সাথে একটি সুষ্ঠু সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে। সেই সাথে সমুদ্রের উপর বাংলাদেশের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এরই সাথে উন্মোচিত হয়েছে ব্লু-ইকোনমির অপার সম্ভাবনা।
মায়ানমারের বিপক্ষে সমুদ্র জয়ঃবাংলাদেশ তার উপকূল থেলে বঙ্গোপসাগরের ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং মহীসোপান ছাড়িয়ে সামুদ্রিক সম্পদের উপর-ও অধিকার আদায়ে সক্ষম হয়। ️এর ফলে সমুদ্রে অবস্থিত ২৮ টি ব্লকের মধ্যে ১৮ টি ব্লকের মালিকানাও পেয়েছে বাংলাদেশ। ️যেটা প্রচুর তেল-গ্যাস সমৃদ্ধ এলাকা হিসেবে পরিচিত।
ভারতের বিপক্ষে সমুদ্র জয়ঃ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণ নেতৃত্বের কারণে দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে চলা সমুদ্রসীমার বিরোধের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ লাভ করেছে একটি স্থায়ী সমুদ্রসীমা যার আয়তন এক লক্ষ আঠারো হাজার আটশো তেরো বর্গ কিলোমিটার। ️বিরোধপূর্ণ ২৫ হাজার ৬০২ বর্গ কিলোমিটারের মধ্যে বাংলাদেশ পেয়েছে ১৯ হাজার ৪৬৭ বর্গ কিলোমিটার। ফলে অধিকাংশ গ্যাস ব্লক অর্থাৎ ভারতের দাবিকৃত দশটি গ্যাস ব্লক এর মধ্যে সবগুলোই পেয়েছে বাংলাদেশ।
প্রতিবেশী দেশ ভারত এবং মায়ানমারের সাথে বন্ধুপ্রতিম সম্পর্ক বজায় রেখেই অমীমাংসিত বিষয়টি সুন্দর সমাধান হলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে।

বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিজয়গুলো এবং উন্নয়ন কাজগুলো সম্পন্ন হয়েছে একমাত্র আওয়ামী লীগ সরকারের হাত ধরেই। 

Leave a Reply