বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ২১ অঙ্গীকার!

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় গেলে দেশের প্রতিটি গ্রামকে আধুনিক নগর সুবিধা দিয়ে ‘আমার গ্রাম, আমার শহর’ হিসেবে গড়ে তুলবে আওয়ামী লীগ। একই সঙ্গে তারুণ্যকে উৎপাদনমুখী শক্তিতে রূপান্তর করে সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা হবে। 

১. আমার গ্রাম, আমার শহর- প্রতিটি গ্রামে আধুনিক নগর সুবিধা সম্প্রসারণ
২. তারুণ্যের শক্তি-বাংলাদেশের সমৃদ্ধি: তরুণ যুব সমাজকে দক্ষ জনশক্তিকে রূপান্তরিত করা এবং কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা।
৩. দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ
৪. নারীর ক্ষমতায়ন, লিঙ্গ সমতা ও শিশুকল্যাণ
৫. পুষ্টিসম্মত ও নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা,
৬. সন্ত্রাস-সাম্প্রদায়িকতা-জঙ্গিবাদ ও মাদক নির্মূল
৭. মেগা প্রজেক্টগুলোর দ্রুত ও মানসম্মত বাস্তবায়ন
৮. গণতন্ত্র ও আইনের শাসন সুদৃঢ় করা
৯. দারিদ্র্য নির্মূল
১০ সকল স্তরে শিক্ষার মান বৃদ্ধি
১১. সকলের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবার নিশ্চয়তা
১২. সার্বিক উন্নয়নে ডিজিটাল প্রযুক্তির অধিকতর ব্যবহার
১৩. বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চয়তা
১৪. আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা- লক্ষ্য যান্ত্রিকিকরণ
১৫. দক্ষ ও সেবামুখী জনপ্রশাসন
১৬. জনবান্ধব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা
১৭ ব্লু ইকোনোমি- সমুদ্র সম্পদ উন্নয়ন
১৮. নিরাপদ সড়কের নিশ্চয়তা
১৯ . প্রবীণ, প্রতিবন্ধী ও অটিজম কল্যাণ
২০. টেকসই উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ
২১. সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি।
‘সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় অপ্রতিরোধ্য বাংলাদেশ-এ  স্লোগান শীর্ষক আওয়ামী লীগের ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, প্রতিটি গ্রামকে আধুনিক নগর সুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে। আমরা নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করলে প্রতিটি গ্রামকে শহরে উন্নীত করার কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করব। 

‘আর যুবসমাজ, তারুণ্যের এই শক্তিই বাংলাদেশের সমৃদ্ধি। সোনার বাংলার স্বপ্ন বাস্তবায়ন ও ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রধানতম শক্তি যুবশক্তি। দেশের এই শক্তিকে সুসংগঠিত ও সুশৃঙ্খল এবং উৎপাদনমুখী শক্তিকে রূপান্তরের লক্ষ্য অর্জনে আওয়ামী লীগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষক, প্রকৌশলী, বুদ্ধিজীবী, তরুণ সমাজের প্রতিনিধি, ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিক, দেশি-বিদেশি সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত রয়েছেন। 

Leave a Reply