তিন মাসেও বিচার পায়নি র্ধষিত গৃহবধূ

বিশেষ প্রতিনিধিঃ চাঁদপুর জেলার, মতলব দঃ উপজেলার ৪ নং নারায়নপু ইউনিয়ন এর পয়ালী গ্রামের ছতু চৌকিদার বাড়ির খোরশেদ আলম (৪২) এর স্ত্রী রাজিয়া বেগম (৩৩) গত রমজান ঈদের একদিন আগে তাহার স্বামী এবং পুত্রদের
অনুপস্থিতিতে পয়ালী গ্রামের প্রভাবশালী পরিবারের শাহ পরান এর হাতে র্ধষিত হন।

র্ধষন এর সময় রাজিয়া বেগম বাচার জন্য ধস্তাধস্তি করার একটা সময় রাজিয়া বেগম এর ভাসুর পুত্র বোরহান (২৮) ওই স্থানে আসেন এবং
র্ধষক শাহপরান কে আটকানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।

তার পরেই বাড়ির অন্য সবাই এসে দেখতে পায় রাজিয়া বেগম কে কতটা নিষ্ঠুর ভাবে হাত এবং মুখ বেধে র্ধষন করে।

এমতা অবস্থায় ধর্ষিতার স্বামী খোরশেদ আলম পঞ্চায়তের কাছে বিচার চায়,
পয়ালী গ্রামের পঞ্চায়তের লোক
হানিফ প্রধান, শহীদ প্রধান, আঃ হযল হক সহ অন্যরা বিচারে বসেন এবং
উক্ত বিচারে শাহ্পরান তার দোষ শিকার করে নেয়।
তার পরেও শাহ্ পরান এর বড় ভাই সেলিম বিচার এর বিরুধিতা করেন এবং তাহার প্রভাবে কেও কিছু বলতে পারেনি।

জয় বাংলা নিউজ ২৪ এর প্রতিনিধি উক্ত বিষয়ে
খোজ খবর নিতে গেলে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এমন অনেকেই বলে, শাহ পরান এবং তাহার পরিবারের ভয়ে এই বিষয়ে অনেকেই মুখ খুলতে না রাজ,
রাজিয়া খাতুন এর বাড়িতে তাহার র্ধষন এর বিষয় জানতে চাইলে উক্ত বাড়ির সবাই এই বলে যে, রাজিয়া খাতুন একজন সহজ সরল কৃষক এর স্ত্রী,
ওকে র্ধষনের পর আমরা সবাই তার আলামত দেখেছি।

র্ধষক শাহ পরান এর বিষয়ে অনেকেই অভিযোগ করেছে তাহার চরিত্র পচন্ড খারাপ এলাকাবাসী তার এবং তার বড় ভাই সেলিম এর ভয়ে কিছু বলতে পারে না।

এই বিষয় টি পরবর্তী সময়ে ইউ চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে যায় ৪ নং নারায়নপুর ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান জনাব, জহিরুল মোস্তফা তালুকদার
ও এবিষয়ে বসেন এবং অপরাধীর অপরাধ প্রমাণীত হয়,

তবে কোন এক অজানা কারনে এই র্ধষনের বিচারের রায় দেয় নাই,
এলাকাবাসী বলাবলি করে প্রভাবশালী বলে এই বিচারের রায় হচ্ছে না।

যাহার কারনে এলাকাবাসী এবং র্ধষিত গৃহবধূর পরিবার বিভিন্ন মিডিয়া এবং সংবাদপত্র দেশবাসীর কাছে বিচারের আবেদন যানায়।