Sun. Dec 15th, 2019

Crack News

নিরপেক্ষ নয় স্বাধীনতার স্বপক্ষে

এক সপ্তাহে ১৫ কোটি টাকার জুয়েলারি কিনে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া

FB_IMG_1507021361304

 

এক সপ্তাহে ১৫ কোটি টাকার জুয়েলারি কিনে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া।

অবশ্য বেগম জিয়া শুধু তার নিজের জন্য নয়, তার দুই পুত্র বধু এবং দুই নাতনীর জন্যও শপিং করেছেন।

টাওয়ার হ্যামলেটস’র ‘টেটি ডিভাইন’ লন্ডনের নামকরা ডায়মন্ড এবং জুয়েলারি দোকান। এখানকার আনকাট ডায়মন্ড এবং হাতে তৈরি গহনা খুবই বিখ্যাত। ফুটবল তারকা বেখ্যামের স্ত্রী ভিক্টোরিয়া এখানকার নিয়মিত খদ্দের। এখান থেকে এক লাখ পাউন্ড দিয়ে বেগম জিয়া তার নাতনীদের জন্য তিনটি ডায়মন্ড সেট কেনেছেন।

হ্যানওভার স্কয়ারের তৃতীয় তলায় ’৭৭ ডাউমন্ড’ দোকানটি বিশ্বব্যাপী প্রশংশিত। ব্রিট্রিশ বড় বড় তারকারা এখান থেকে জুয়েলারি কেনেন। এখান থেকেই বেগম জিয়া তার দুই পুত্র বধুর জন্য দুটো ডায়মন্ড নেকলেস কিনেছেন দেড় লাখ পাউন্ড দিয়ে।

জুয়েলারির জন্য নামকরা ব্রান্ড হলো টিফনী। ওল্ড বন্ড স্ট্রীটের এই জুয়েলারি শপটি শুধু বিত্তবানদের জন্যই। এখান থেকেই বেগম জিয়া তাঁর নিজের জন্য তিন লাখ পাউন্ড দিয়ে এক ডায়মন্ড নেকলেস কিনেছেন। এটা সম্পূর্ণ আনকাট হীরার তৈরি।

বেগম জিয়া জুয়েলারি কিনবেন, আর অক্সফোর্ড স্ট্রীটে যাবেন না তা কি করে হয়?

২৯ সেপ্টেম্বর জিয়া পরিবার গিয়েছিলেন অক্সফোর্ড স্ট্রীটে। সেখানে বিখ্যাত জুয়েলারিরর দোকান প্যানডোরা থেকে কিনেছেন হাতের আংটি আর কানের দুল। এছাড়াও লন্ডনের বিখ্যাত হ্যারিডম থেকে কিনেছেন বেশ কিছু জুয়েলারি।

শপিং এর সময় ম্যাডামকে খুবই হাসিখুশি দেখাচ্ছিল অবশ্য লন্ডনে বিএনপির কোন নেতা বা কর্মীকে ঐসব শপিংয়ে নেয়া হয়নি। সব সময়ই প্রাইভেট সিকিউরিটি একটি দল জিয়া পরিবারকে পাহারা দিচ্ছিল।

২৯ সেপ্টেম্বর বেগম জিয়া যখন তার পরিবার নিয়ে অক্সফোর্ড ট্রিটে শপিং করছিলেন, তখন লন্ডনে বিভক্ত বিএনপির একাংশ রোহিঙ্গা সহায়তার জন্য সাহায্য তুলছিলো। তাদের একজন জিয়া পরিবারকে দেখেন। তখন ত্রাণের টাকা তুলতে থাকা, লন্ডন প্রবাসী এক তরুণ বিএনপিকর্মী বলেন ‘জিয়া পরিবারের শপিং-এর টাকা দিয়েই তো অনেকগুলো বিপন্ন রোহিঙ্গাকে বাঁচানো যায়।’

গত একমাস লন্ডনে, স্কটল্যান্ডে, বার্মিংহামে বিএনপির পক্ষ থেকে রোহিঙ্গাদের সাহায্যের জন্য চাঁদা তোলা হচ্ছে। লন্ডন বিএনপির একজন নেতা বলেছেন, যে টাকা উঠছে বা আমাদের পক্ষ থেকে বিএনিপির ত্রাণ সমন্বয়কারী স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের কাছে পাঠানো হচ্ছে।